Global Seed Vault Bank | বিশ্ব ফসল শস্য বীজ সংরক্ষণাগার কেন্দ্র কোথায়?

Global Seed Vault Bank, গ্লোবাল সীড ভল্ট সম্পর্কে আমরা অনেকেই খুব বেশি জানিনা আমাদের বিশ্বে এমন একটি সুরক্ষিত ব্যাংক বা ভল্ট রয়েছে যেটাতে টাকা কিংবা সোনার কোনটাই মজুদ হয়না থাকে শুধু বিশ্বের বিভিন্ন জাতের শস্য বীজ।

অত্যন্ত সুরুক্ষিত এই ভল্টের মালিক কে বা করা? কেন এর প্রয়োজনীয়তা? কিভাবে এটি পরিচালন করা হয় ও এই সুরক্ষিত স্থানটি কোথায় রয়েছে জেনে নিন বিস্তারিত।

Global Seed Voult
Svalbard Global Seed Voult – WikiPedia
Global Seed Vault Bank – প্রয়োজনীয়তা

আমাদের এই পৃথিবী সবুজে পরিপূর্ণ আর এই সবুজের অবদান বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালার এই গাছপালার প্রতিটা তার নিজের অবদান এই বিশ্বের জন্য কিছু না কিছু দিয়ে যাচ্ছে।

আর এই সবুজের একটি অংশ হচ্ছে খাদ্য সর্ষের প্রজাতি গাছপালা যদিও একে গাছপালা বলা হয়না এই সকল ফসলের গাছের চাষের মাধ্যমে উৎপাদিত খাদ্য সর্ষেই আজ পৃথিবীর মানব সভ্যতা টিকে আছে।

কিন্তু বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা মহামারীর কারণে পৃথিবীর কোন অঞ্চল যখন ক্ষতিগ্রস্থ হয় তখন সেই অঞ্চলের খাদ্য প্রণালীতে থাকা কোন ফসলের বীজের অভাবে সেই প্রজাতির ফসল যেন পৃথিবী থেকে বিলুপ্তি না হয়।

সেই রকম পরিস্থিতি হলে এই সংরক্ষণ থেকে সেই জাতের বীজ নিয়ে আবার নতুন করে ফসলের প্রজাতিকে পৃথিবীর বুকে প্রাণ ফেরেন যাবে ও খাদ্যের যোগান দেয়া যাবে।

Global Seed Vault Bank – কোথায় অবস্থিত?

এই গোপন বীজ সংরক্ষণাগারটি নরওয়ে দেশে অবস্থিতি, নরওয়ের আর্কটিক সাগরের নিকটবর্তী একটি দ্বীপ Svalbard এ বানাবো হয়েছে যার প্রধান শহর হচ্ছে Longyearbyen অত্যন্ত ঠান্ডা এই দ্বীপের বরফে ঢাকা পাহাড়ের ভিতরে এটি অবস্থিত।

Global Seed Voult Capacity – বীজ ধারণ ক্ষমতা?

এই বীজ সংরক্ষণাগারে বীজ ধারণ ক্ষমতা আপনাকে অবাক করবে, কারণ এই ভল্টে storage capacity 4.5 million এক একটি প্রজাতির বীজ এখানে কমকরে ৫০০ টি করে রাখা হয়।

এই বীজ প্রথমে নির্দিষ্ট অদ্রো তাপমাত্রায় একটি আধুনিক ও উন্নতমানের আদ্রতা নিরোধক পলি ব্যাগে রাখা হয় এবং সেই পলিব্যাগটি একটি উন্নতমানের তাপ নিরোধক স্টিলের বক্সে সংরক্ষণ করা থাকে।

২০১৮ সালের হিসাব অনুযায়ী এই স্থানটিতে মোট 983,524 রকমের ফসলের বীজ বিভিন্ন মহাদেশের সকল দেশ থেকে এনে নিরাপদে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

মানুষের আদিম জীবনযাপন

আমরা সবাই জানি আমাদের আদিম পূর্ব পুরেষেরা প্রথম জীবনে জীবনধারণের জন্য পশু পাখি শিকার করে খেত, কিন্তু বর্তমান প্রায় সাতশো কোটির জনসংখ্যার এই পৃথিবীতে শুধু মাত্র পশু শিকার করে জীবন ধারণ সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here