মার্ক জুকারবার্গ এর জীবনী | Mark Zuckerberg Biography in Bengali

Mark Zuckerberg Biography in Bengali

মার্ক জুকারবার্গ আমেরিকান সোশ্যাল মিডিয়া সম্রাট তিনি Facebook ফেইসবুক এর একমাত্র প্রতিষ্ঠাতা ও কোম্পানির বর্তমান প্রধান অধিকর্তা। জুকারবার্গ মাত্র ২৩ বছর বয়সে বিশ্বের বিলিনিয়ারদের লিস্টে তার নাম করে নেন।

মার্ক জুকারবার্গের কোম্পানি ফেইসবুক আজকে সোশ্যাল মিডিয়ার জগতের একমাত্র প্রতিষ্ঠান যার সাথে কোন কোম্পানির প্রতিযোগিতা দূর দূর পর্যন্ত নজর আসে না। ফেসবুকের কোম্পানির মোট মার্কেট ভ্যালু প্রায় ৯৭০ বিলিয়ান ডলার।

Mark Zuckerberg Biography in Bengali
Mark Zuckerberg, image – wikipedia

Mark Zuckerberg Biography in Bengali

মার্ক জুকারবার্গ ছোটবেলা থেকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর উপর আগ্রহ রাখেন, তিনি মাত্র ১১ সালে তিনি তার প্রথম আবিষ্কার করেন যার নাম ছিল Zucknet এই ইন্টারনেট সিস্টেমের মাধ্যমে তিনি তার বাড়ির সকল কম্পিউটারকে একটি ফ্রী নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ করেন। একটি কম্পিউটার থেকে আরেকটি কম্পিউটারে মেসেজ আদানপ্রদান করার জন্য। তার এই অন্ত সংযোগ ব্যাবস্থা খুবই প্রশংসিত হয়।

আর মাত্র ১৭ বছর বয়সে মার্ক আরও একবার বিশ্বের বড় বড় টেকনোলজি কোম্পানির নজরে আসেন তার আবিষ্কার Synapse Media Player এই মিডিয়া প্লেয়ার সফটওয়ারের বিশেষত্ব ছিল এর গান প্রেফারেন্স এর ক্ষমতা। এটি ছিল সেই সময়ের ইন্টেলিজেন্ট আর্টিফিসিয়াল সফটওয়ার। ব্যাবহারকারীর পছন্দ অনুসারে এটি পরবর্তী গান নির্দেশ বা সাজেসন্স করতো।

এই সফ্টোয়ারটির লাইসেন্স কেনার জন্য সেই সময়ের বিশ্বের সকল বড় প্রতিষ্ঠান জুকারবার্গের দুয়ারে ঘুরে বেড়ান তাকে জব অফার পর্যন্ত করা হয় কিন্তু মার্ক এটি বিক্রি করেননি তিনি এটি ইন্টারনেটে ফ্রীতে ছেড়েদেন। আর হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি তে চলে যান পড়ার জন্য।

২০০৩ সালে মার্ক জুকারবার্গের জীবনে ঘটে এক অদ্ভুত ও যুগান্তকারী পরিবর্তনীয় ঘটনা তার গার্লফ্রেন্ডস তার সাথে ব্রেকাপ করার কষ্টে তিনি তার ঘরে একাকী বসে খুব রেগেযান তিনি তার গার্লফ্রেন্ডস এর বিরুদ্ধে ইন্টারনেটে অপশব্দ লিখতে থাকেন।

তখন তার এক বন্ধু মার্ককে একটি খারাপ আইডিয়া দেন তিনি মার্ককে বলেন তুই সকল মেয়েকে না পশুর সাথে আইডিয়া করে পোস্ট কর। মার্কের এই আইডিয়া টি খুবই ভালোলাগে কিন্তু তিনি সেটা তারমতো করে করেন।

তিনি হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি সকল মেয়েদের ছবি তাদের ইউনিভার্সিটির প্রোফাইল থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিয়ে একজনের সাথে অন্য জনের তুলনা করার পোস্ট করেন কে বেশি সুন্দরী রেটিং করার জন্য। Ho is Hot? Ho is Not? শিরোনামে।

তার এই কাজের চার ঘন্টার মধ্যেই প্রায় ২২ হাজার ভিজিটর ওয়েবসাইট ভিজিট করেন যা সেই সময়ের ইন্টারনেট যুগের একটি ছোট রেকর্ডও বলা যায়। মার্কের এই কাজ হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে ছড়াতেই তার জন্য তাকে ক্ষমা চাইতে হয় তবে এই কাজ তাকে পরবর্তীতে নতুন কিছু ভাবতে শেখায়।

Read More

Leave a Comment