Selfie Facts & History in Bengali| প্রিয় সেলফির অজানা তথ্য ও মজার ঘটনা

Selfie এই শব্দটি এখন নতুন কোনো শব্দ নয়, আজকের ডিজিটাল দুনিয়ায় প্রায় পত্যেকের কাছেই একটি ক্যামেরা মোবাইল ফোন আছে।

এবং তাদের কাছে সেলফি নেয়া একটি সাধারণ ব্যাপারে পরিণত হয়েছে, এই সেলফি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা একটি ট্রেন্ডস এ পরিণত হয়েছে।

বর্তমানে নতুন প্রজন্মের কাছে ভালো সেলফি মোবাইলের কদর সবথেকে বেশি হয়ে থাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার জন্য।

Girls Selfie
Selfie

আসুন জেনেনিই সেলফির আবিষ্কার বিভাবে ও কোথায় হয়েছে এর সম্পর্কে আরো মজার মজার সব ঘটনা এবং বিবরণ।

Selfie শব্দের প্রথম আবিষ্কার অস্ট্রেলিয়ায় হয়েছে ২০০২ সালের একটি অনলাইন ফোরামে এই শব্দটি ব্যবহার করাহয়।

সেলফি শব্দকে ২০১৩ সালে অক্সফোর্ড ডিকশনারী তাদের শব্দ কোষে সংযুক্ত করে, এবং এই বছরে ওয়ার্ড অফ দা ইয়ার মনোনীত করে।

আমেরিকাতে ৩১ জুন প্রতি বছর ন্যাশনাল সেলফি ডে উদযাপন করা হয় , ২০১৪ সাল থেকে এটি প্রতি বছর এটি উদযাপিত হচ্ছে।

সবার প্রথম সেলফি ১৯৩৯ সালে Robert Cornelius নামক ব্যাক্তি তুলে ছিলো, সর্ব প্রথম Hashtags Selfie, এর ব্যবহার Instagram এ জেনিফার লি করেছিলো।

জেনিফার লি ১৬ জানুয়ারি ২০১১ সালে নিজের ফটো ইনস্টাগ্রামে আপডেট করে হ্যাশট্যাগ সেলফির সাথে, পরে ২৭ জানুয়ারি ২০১১ সালে ইনস্টাগ্রাম প্রথম বার হ্যাশট্যাগ যুক্ত করে।

ডিসেম্বর ২০১৬ সাল পর্যন্ত ইনস্টাগ্রামে হ্যাশট্যাগ সেলফির সাথে ২৮২ মিলিয়ন সেলফি শেয়ার হয় ।

2003সালে Sony দুনিয়ার প্রথম সেলফি মোবাইল বা front facing camera phone বাজারে নিয়ে আসে Sony Ericson Z1010 মডেলে।

২০০৫ সালে কানাডার নাগরিক lane from নামের ব্যাক্তি সেলফি স্টিক আবিষ্কার ও পেটেন্ট করান, যখন তিনি এটির নাম quik pod দিয়েছিলেন।

২০১৪ সালের আগে সেলফি স্টিক শব্দের বেশি ব্যবহার ছিলনা, ২০১৪ সালে Times Magazine প্রধান ২৫ টি উদ্ভাবনীর মধ্যে সেলফি স্টিককে স্থান দেয়ার পরে এটি ব্যবহার খুবই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

Selfie capital of the world

ফিলিপিনের Makati শহরের লোকেরা বিশ্বের সবথেকে বেশি সেলফি নিয়ে থাকে তাই এই শহরকে selfie capital of the world বলা হয়।

আপনি জানেন কি ৩৫ শতাংশ মানুষ তাদের সেলফি আপলোড করার পূর্বে এডিট করে তারপরে আপলোড দেয়।

সারা পৃথিবীতে পুরুষের তুলনায় মহিলারা সবথেকে বেশি সেলফি ফটো তোলে, কিন্তু পুরুষরা পার্ফেক্ট সেলফি তোলার জন্য goolge এ বেশি সার্চ করে থাকে।

অনুসন্ধান করে জানা যায় ১৯৮০ সালের পরে জন্মানো মানুষ তাদের জীবনকালে ২৫ হাজার পর্যন্ত সেলফি তোলে, এবং বছরে ৫২ ঘন্টা সময় ব্যায় করে।

সেলফি জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে এটি কিছু ক্ষেত্রে দুর্ঘটনার কারণ ও তৈরি হচ্ছে, তাই সেলফি তোলার সময় খুবই সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি।

সেলফি থেকে দুর্ঘটনা ও মৃত্যু কমানোর জন্য রাশিয়াতে ২০১৬ সালে safe Selfie campain চালু করা হয়, সারা বিশ্বে শার্কের আক্রমণের থেকেও বেশি মানুষের মৃত্যু সেলফি তোলার সময় হয়।

এবং প্রতিবছর দুনিয়ার সকল সেলফি দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর ৬০ শতাংশ হয় আমাদের দেশ ইন্ডিয়াতে।

তবে অধিক পরিমান সেলফি তোলা মনোবিদরা একরকম মানুসিক অসুস্থতা মনে করে এবং সাস্থের জন্য হানিকারক বলা হয়।

আপনাদের যদি তথ্যটি ভালো লাগে বন্ধু ও পরিবারের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না দয়াকরে। সোশ্যাল শেয়ার বাটন নিচে দেয়া আছে।

Read More:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here