Tactical Ballistic Missile | ট্যাকটিক্যাল মিসাইল যুদ্ধে কতটা বিধ্বংসী

tactical ballistic missile in bengali

আদিম যুগ থেকে বর্তমান যুগে মানুষ শুধু নিজেদের সমৃদ্ধ শুধু করেনি তার সাথে সাথে অন্য দেশের মানব সমাজের জন্য ও হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে।

বর্তমান আধুনিক ও উন্নত বিজ্ঞান প্রযুক্তির পৃথিবীতে আধুনিকায়নের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশের সাথে সীমান্ত বিবাদ বেড়েই চলেছে আর তার সাথে বাড়ছে বিভিন্ন উন্নত দেশের আধুনিক সামরিক অস্ত্র।

Ballistic Missile

বলা হচ্ছে বর্তমানের পৃথিবীর উন্নত দেশগুলির যুদ্ধের শক্তি তাদের সামরিক বাহিনীর আর্মি সংখ্যার উপর শুধু নয় বরং আধুনিক সামরিক মিসাইলের উপর নির্ভর করে।

আর এই মিসাইল ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী ও কার্যকরী একটি অস্ত্র যে কোনো দেশ বিনা যুদ্ধে তাদের প্রভাব অন্য দেশের উপর বিস্তার করতে পারে।

Missile – হুমকির মুখে বিশ্ব

তাই পরবর্তী ভবিষ্যত যুদ্ধের কথা এবং নিজ নিজ দেশের সুরক্ষা ব্যাবস্থা আঁটোসাঁটো করতে প্রায় প্রতিটি দেশ মিসাইল অস্ত্র ভান্ডারের বৃদ্ধি করছে।

আমাদের পরিকল্পিত ভবিষ্যত আধুনিক দেশ ও সমাজের তথা আমাদের এই বাসযোগ্য পৃথিবীর জন্য এটি মোটেই সুখকর কোনো আবিষ্কার নয়, এই অস্ত্র ব্যাবহারে মানুষের ক্ষতির পাশাপাশি বিশ্বের ও ক্ষতি আসন্ন।

Tactical Ballistic Missile – কৌশলগত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র

নামের সাথেই ট্যাকটিক্যাল মিসাইল টির প্রয়োজনীতা প্রয়োগ ও ব্যবহার নির্দেশিত হয় এটি যুদ্ধে কৌশলগত ভাবে প্রয়োগ করা যায়।

এই মিসাইল টি অন্য মিসাইল থেকে কৌশলগত ভাবে প্রয়োগ শুধু আলাদা নয় এর দূরত্বে আঘাত হানার ক্ষমতা ও কম এটি ৩০০ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত টার্গেটে বানানো হয়।

কারণ দূরপাল্লার মিসাইল যেখানে অধিক পরিমানে আঘাত হানতে ব্যবহার করাহয়, সেখানে এই মিসাইল কাছের লক্ষবস্তু টার্গেট করে বানানো হয়।

বর্তমানে কিছু দূরপাল্লার মিসাইল এতটাই দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে যে এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে পর্যন্ত সঠিক লক্ষ বস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম।

কিন্তু পাশাপাশি সীমান্ত লাগোয়া দুটি দেশের মধ্যে যদি কখনো কোন সীমান্ত যুদ্ধ হয় সীমিত আকারে তখন কম দূরত্বের এই মিসাইল ব্যবহার করে শত্রু ঘাঁটি ধ্বংস করা যায়।

কিংবা শত্রু দেশকে কম পরিমানে আঘাত হানতে ও শক্তিশালী বার্তা দেয়ার জন্যও এটি কখনো কখনো ব্যবহার করা যায় তবে যুদ্ধ বিমানের মাধ্যমে ও এটির ব্যবহার করা যায়।

সহজ ব্যবহার ও স্থানান্তর

এই ক্ষেপণাস্ত্র টি জনপ্রিয়তার আরও একটি প্রধান কারণ এটি সামরিক জানের মধ্যে রাখা যায় ও প্রয়োজনে বিভিন্ন গন্তব্যে এটি নিয়ে যাওয়া যায়।

প্রয়োজনে এটি মাত্র তিন থেকে পাঁচ মিনিটে বিভিন্ন লক্ষবস্তুতে একই সাথে তিনটি ছয়টি বা নয়টি পর্যন্ত মিসাইল ছুড়তে পারে।

সম্প্রতি যুদ্ধে ব্যবহার

কিছু বছর পূর্বে আমেরিকা ইরাকে এই ধরণের মিসাইল ব্যবহার করেছিল ইরাকি বাহিনীর উপরে, আবার সিরিয়া তে ইসলামিক স্টেট আর্মির বিভিন্ন ঘাঁটি ধ্বংস করতে বিমান থেকে এটির ব্যবহার হয়েছিল।

আমাদের প্রার্থনা যুদ্ধ কখনো কোন কিছুর সমাধান ও শান্তির ব্যবস্থা হতে পারে না, তাই সকল রাষ্ট্র নেতাদের উদ্যেশে আমাদের আহ্বান যুদ্ধ নয় শান্তি চাই, শান্তি নিশ্চিত করুন সকল মানবতার।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here